প্রভাষক_একাব্বর_রসায়নবিজ্ঞান।

 



সুপারহিট ছবি করেও বেকার ছিলেন আদালতের কেডি পাঠক।

লিখেছেনঃ
✓নিজের জীবন শেষ করে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।
✓আমির খানের দেহরক্ষী ছিলেন।
✓বাংলাদেশের নায়ক মান্নার সঙ্গেও একটি ছবিতে কাজ করেছেন।
বর্তমানে ভারতীয় ধারাবাহিকে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের একজন তিনি। তবে একসময় সুপারহিট ছবি উপহার দেওয়ার পরেও ৬ মাস কোনো কাজ পাননি ‘আদালত’ খ্যাত এই অভিনেতা জানিয়েছেন।
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রনিত রায়।১৯৯২ সালে ‘জান তেরে নাম’ ছবি দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অভিষেক হয় তার।এরপর কাজ করেন তামিল, তেলেগু,বাংলা সিনেমায়।তবে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ‘আদালত’ ধারাবাহিক দিয়ে কেডি পাঠক হিসেবে।
ভারতের জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘আদালত’এর মূল চরিত্র উকিল কেডি পাঠক।কেডি পাঠক চরিত্রে যে বুদ্ধিমান মানুষটি অভিনয় করেন, তার আসল নাম রণিত রায়।
কেডি পাঠক,তিনি ছোটপর্দার বড় তারকা।
যারা নিয়মিত সিরিয়াল দেখেন,তাদের বেশিরভাগই
এ চরিত্রের সঙ্গে পরিচিত।বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রচার হওয়া সকল সিরিয়ালগুলোর চরিত্রদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এই নাম। হিন্দি ও বাংলা ভাষায় প্রচার হওয়া এই সিরিয়াল শুধু ভারতেই নয়; দারুণ জনপ্রিয় বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হিন্দি ও বাংলা ভাষার দর্শকদের কাছে।
রনিত রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা। যিনি হিন্দী টিভি সিরিয়াল কচৌতি জিন্দগী কে, কিউকি সাশ ভী কাবি বহু থি এবং আদালতের জন্যে সর্বাধিক পরিচিত।
ভারতীয় গণমাধ্যম পিংক ভিলাকে রণিত বলেন, আমার সৌভাগ্য যে আমির খানের সঙ্গে বহু বছর কাটিয়েছি।আমি তার দেহরক্ষী ছিলাম।
আমি একটি কোম্পানি শুরু করেছিলাম।কিন্তু আমার কোনো কাজ ছিল না। আমাকে কিছু একটা করতেই হবে। আমি খুব সৌভাগ্যবান ছিলাম, কারণ আমির খানের সঙ্গে দীর্ঘ সময় পার করেছি। তার কাছ থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি।এখনো শিখেই যাচ্ছি।
এক সময় ছিলেন আমির খানের দেহরক্ষী।অথচ তিনিও বর্তমানে বিখ্যাত।শুধু তাই নয়,বাংলাদেশের নায়ক মান্নার সঙ্গেও একটি ছবিতে কাজ করেছেন। শাহ আলম কিরণ পরিচালিত ছবিটির নাম ‘শেষ বংশধর’।
১৯৮৪ সালে শিশু শিল্পী হিসেবে প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তবে ১৯৯২ সালে মূল ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন রণিত। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- জান তেরে নাম, সৈনিক, বম্ব ব্লাস্ট, হালচাল, মেঘা, আর্মি, দানবীর, অগ্নি স্বাক্ষী, গ্ল্যামার গার্ল, হাম দিওয়ানা পেয়ার কা, খাতরন কী খিলারি, শেষ বংশধর, নিশান, দ্যাট গার্ল ইন ইয়েলো বুটস, মিডনাইট’স চিলড্রেন, স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার, শুট আউট এট ওয়াডালা, বস, আগলি, গুড্ডু, টু স্টেইটস, সাত কদম, কাবিল, সরকার ৩, মেশিন ইত্যাদি।
রণিত বলেন, আমি সব সময়ই তারকা হতে চেয়েছি। মুম্বাইয়ে আসি এ চিন্তা নিয়েই। আমি চেয়েছি আমি বড় গাড়ি কিনব। মেয়েরা আমরা নাম ধরে চিৎকার করবে, ঠিক এখন যেমনটি হয়। যখন আমি ব্যর্থ হয়েছি,পরে ভালো কিছু হয়েছে।
রনিত রায় ১১ অক্টোবর ১৯৬৫ সালে নাগপুরে এক বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি ছিলেন ব্যবসায়ী বাবার প্রথম সন্তান। তার ছোটভাই রোহিত রায়ও একজন টিভি অভিনেতা। তার বাল্যকাল আহমেদাবাদ ও গুজরাটে কাটে।
২৫ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে রনিত অভিনেত্রি ও মডেল নিলাম সিংয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের তিনটি সন্তান (২ মেয়ে ১ ছেলে) আছে।
রনিত রায় জানান, ‘নিজেকে শেষ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। ১৯৯২ সালে আমার প্রথম ছবি ‘জান তেরে নাম’ মুক্তি পেয়েছিল। ছবিটি সুপার হিট হয়। আজকালকার দিনের ১০০ কৌটি টাকার ছবি।প্রথম ছবি এই স্তরের‌ই ছিল। তারপর আচমকাই ৬ মাস কোনো কাজ পাইনি। বেশ কিছু ছোটখাটো কাজ করেছিলাম সেই সময়। প্রায় ৩ বছর ধরে সেগুলোই করে গিয়েছি ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ৪ বছর আমি বাড়িতে বসে ছিলাম। আমার একটা ছোট গাড়ি ছিল কিন্তু পেট্রোল ভরানোর টাকা ছিল না। আমি আমার বাড়ি পর্যন্ত হেঁটে যেতাম। সেখানে গিয়েই খেতাম।
সিলভার জুবিলি ফিল্মে কাজ করার পরও আমার কাছে কোনো টাকা ছিল না। আমি কিন্তু নিজেকে মেরে ফেলিনি। আমি কাউকে বিচার করছি না। প্রত্যেকে জীবনে আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয় কখনও না কখনো। কিন্তু কখনো ভেঙে পড়িনি।আর কখনোই নিজের জীবন শেষ করে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।’
১৯৮৪ সালে শিশু শিল্পী হিসেবে তিনি প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তবে ১৯৯২ সালে মূল ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন রণিত। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- জান তেরে নাম, সৈনিক, বম্ব ব্লাস্ট, হালচাল, মেঘা, আর্মি, দানবীর, অগ্নি স্বাক্ষী, গ্ল্যামার গার্ল, হাম দিওয়ানা পেয়ার কা, খাতরন কী খিলারি, শেষ বংশধর, নিশান, দ্যাট গার্ল ইন ইয়েলো বুটস, মিডনাইট’স চিলড্রেন, স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার, শুট আউট এট ওয়াডালা, বস, আগলি, গুড্ডু, টু স্টেইটস, সাত কদম, কাবিল, সরকার ৩, মেশিন ইত্যাদি।
রনিত রায় ১১ অক্টোবর ১৯৬৫ সালে নাগপুরে এক বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি ছিলেন ব্যবসায়ী বাবার প্রথম সন্তান। তার ছোটভাই রোহিত রায়ও একজন টিভি অভিনেতা। তার বাল্যকাল আহমেদাবাদ ও গুজরাটে কাটে।
২৫ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে রনিত অভিনেত্রি ও মডেল নিলাম সিংয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের তিনটি সন্তান (২ মেয়ে ১ ছেলে) আছে।
তথ্যসূত্রঃ
উইকিপিডিয়া,Somoy Media Limited,ও ডেইলি বাংলাদেশ