মানুষের অমানিশা আমাকে তাড়িত করে। মানিক বৈরাগী

মানিক বৈরাগী

 

মানুষ ও মানবের এই ঘোর অমানিশা কালে নির্ভাবনায় থাকি কি করে।নিজের জন্যে মানুষের জন্য আমার ভেতরে কি রকম অস্থিরতা বিরজ করে,মায়া লাগে কেমন কেমন।

তবুও মানুষ মানুষের জন্যে ছিদ্রান্নেষণে ব্যস্থ থাকে। তবুও মানুষ ধর্মকে পুজি করে মানুষ কে ঘায়েল করে।তবুও মানুষ পরস্পরের বিপক্ষে দলবেঁধে রাজনীতি করে।

এই ঘোর অমানিশা কালে মানুষের দুর্দশা কে কেন্দ্র করে মানুষ পণ্য মওজুদ করে।বিশ্রামগৃহে থাকা অসুস্থ মানুষ কে মানুষ অদ্ভুত প্রাণী মনে করে ভিড় জমায়।নিরাপদ বিশ্রামগৃহের আসবাব চুরি করে নিয়ে যায় মানুষ।

এই এমোন এক্কান দ্যাশের মানুষ আমি, এই এমোন এক কিসিমে’র জাত নিয়েই আমি ভাবি, ভাবছি, ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হচ্ছি।

এই দ্যাশে এমোন এক কিসিমে’র মানুষ আছে যাদের জন্য মঙ্গল কামনা,  আমি আজ খুব ক্লান্ত। তাদের পেছনে নিজের,পরিবারের,তার সমাজের  মঙ্গল চিন্তা না করে পঙ্গপালের মতো ছুটে।

তো আমি এই এমোন এক্কান দেশের,জাতির, সম্প্রদায়ের ভেতর বেড়েওঠা নিছক কবিতা কর্মী, কলম যোদ্ধা।মাঝে মাঝে লিখে বলেও বসি আসিওনা তোমরা এই অধমের কাছে। তবুও কেউ কেই নিছক অকারণে চলে আসে,”আমি পারিনা তাদের এড়াতে, মাথার ভেতর এক বোধ কাজ করে”।

ক’দিন ধরে মানুষ, মানবজাতি, দ্যাশ,রাজনীতি,নিয়ে ভাবছি আর ভাবছি।এর মধ্যে বিভিন্ন লোকজন তো বাসায় আসেই বিভিন্ন উছিলায়।

মানুষ মানুষকে কব্জায় আনতে বর্তমান বিশ্বে যে জীবাণু যুদ্ধ এটা এখন মহামারী আকারে ধারণ করেছে।এই ঘোর অন্ধকার অমানিশায় স্বার্থপরের মতো নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারিনা। মানুষ আমাকে ভাবায়, মানুষ আমাকে দিয়ে লেখায়। কারণ আমিও মানুষের বাচ্চা,আমার প্রতি মানুষের ঋণ অপরিসীম।

করোনা এই জীবাণু থেকে কেউ রেহায় পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, যদি স্বাস্থ্যসম্মত না চলে। কে শুনে কার কথা।এসব ভাবছি।

গতকাল ঘুমও ভালো হয়েছে। কিন্তু সকাল থেকে মাথাটা বেশ ভারি ভারি।পরাণ হালাকা ছটফট করছে।  দোয়া করবেন।


https://banglasahityamancha.quora.com/